এক বছর পিছিয়ে গেলো নতুন শিক্ষাক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ শুরু করেছিল জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। পরিকল্পনা ছিল আগামী বছরের শুরুতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবই দেওয়ার। কিন্তু, নতুন এই শিক্ষাক্রম আরও এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সভায় শিক্ষাক্রম আরও এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী, প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রমে ২০২২ সালে মাধ্যমিক স্তরের ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন শিক্ষাক্রমের কাজ হবে। এরপর ২০২৩ সালে এই দুটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রমের বই দেওয়া হবে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেছেন, ‘প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিসহ ১০০টি স্কুলে আগামী বছর পরীক্ষামূলকভাবে পাইলটিং আকারে কার্যক্রম চালানোর বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও রেজুলেশন আকারে প্রকাশ করা হয়নি। আশা করছি, আগামীকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত আকারে এটি প্রকাশ করবে। এর পরেই বলা যাবে, কী পরিবর্তন হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, চলতি মাসে শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে তার আলোকে জুনের মধ্যে নতুন বই লেখার কাজ শেষ করার কথা। এর পর বই ছাপিয়ে আগামী বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবই দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এপ্রিল মাস শেষ হতে চললেও এখনও শিক্ষাক্রমের রূপরেখাই অনুমোদন করতে পারেনি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় আগামী বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের বই দেওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আজকের সভায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।