এশীয় নারীদের তারুণ্যের রহস্য!

তারুণ্যের রহস্য
ফাইল ছবি

পশ্চিমা নারীরা প্রায়ই আফসোস করে বলে থাকে- কী করে সম্ভব? এশিয়ার নারীরা বয়স্ক হলেও তাদের চেহারা থেকে তারুণ্য মুছে যায় না। তাহলে রহস্যটা কী? এটা সবাই মানবে, পশ্চিমা নারীর তুলনায় এশিয়ার নারীদের বয়সের তুলনায় কম বয়স্ক মনে হয়। প্রশ্ন হলো, এটা কেন হয়? উত্তর জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট মাইন্ড বডি গ্রিন। চলুন জেনে নেই কারণগুলো কী।

চা পান : এশিয়ার নারীরা পছন্দ করে বিভিন্ন ধরনের চা পান করতে। যেমন : গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি ইত্যাদি। এসব চায়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো খাদ্য তালিকায় চা রাখা হলে উপকার পাওয়া যায়।

চলাফেরা : ব্যায়াম বয়স বাড়ানোর পদ্ধতিকে কমায়। এশিয়ান নারীরা অনেক কায়িক পরিশ্রম করে, বেশি হাঁটে;  যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

সয়া জাতীয় খাবার : সয়া জাতীয় খাবার এশিয়ানদের খাদ্যতালিকায় সব সময় থাকে। প্রচুর পুষ্টিগুণ সম্বৃদ্ধ এ খাবার খেতেও সুস্বাদু। যেমন : সয়াবিন, সয়া ইত্যাদি।

সূর্যের আলো অপছন্দ : পৃথিবীর এই অংশে প্রচুর সূর্যের আলো পাওয়া গেলেও এ অঞ্চলের লোকেরা সূর্যের আলো তেমন পছন্দ করে না। সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে এবং অতি বেগুণি রশ্মি এড়াতে সাধারণত ছাতা ব্যবহার করে।

ডেজার্টে ফল ব্যবহার : পশ্চিমাদের তুলনায় এশীয় সংস্কৃতিতে ডেজার্ট হিসেবে ফল বেশি খাওয়া হয়। বেশির ভাগ এশীয় ডেজার্টগুলো ফল, বাদাম এবং টফু ভিত্তিক হয়। যা ক্যালোরি শোষণকে কমায়।

আদার প্রতি ভালোবাসা : বেশির ভাগ খাবার সেটা তরকারি হোক বা চা- এশীয়রা আদা ব্যবহার করতে ভালোবাসে। আদা রক্তচলাচলকে ভালো রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং কর্ম উদ্দীপনা তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিষয়গুলো এশিয়ান নারীর বয়সকে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া ভাবকে প্রতিরোধ করে।