তহবিল সংগ্রহে আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি কনটেস্ট

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যার্থে ফটোগ্রাফি কনটেস্ট
আগ্রহীরা রেজিস্ট্রেশন এবং ছবি জমা দিতে পারবেন ১৩ই জুলাই ২০২০ পর্যন্ত

করোনা বিপর্যস্ত মানবতার কল্যাণে শুরু হলো আন্তর্জাতিক অনলাইন ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২০। আগামী ১৩ই জুলাই ২০২০ পর্যন্ত আগ্রহীরা রেজিস্ট্রেশন এবং ছবি জমা দিতে পারবেন। এই প্রতিযোগিতার আয়োজক এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব ইয়ুথ ভলান্টিয়ার্সে। এই আয়োজনের প্রতিপাদ্য “সেলিব্রেট দ্যা পজিটিভিটি”। দেশ এবং বিদেশের যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারবে এই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়।

রেজিষ্ট্রেশন এবং ছবি জমা দিতে হবে এই লিংকে- ANYV Photo Contest or email us [email protected]
ফেসবুক ইভেন্ট এর লিংক – https://www.facebook.com/events/263029101457071/

প্রতিযোগিরা পোট্রেট, এনভায়রনমেন্ট, লাইফ স্টাইল, ট্রাভেল, ওয়াইল্ডলাইফ, ল্যান্ডসস্কেপ , লকডাউন ডেইজ এইসব ক্যাটাগরিতে ছবি জমা দিতে পারবে। এ কার্যক্রম শেষে ছবিগুলো এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব ইয়ুথ ভলান্টিয়ারের ফেসবুক পেইজে অনলাইন ফটোগ্রাফি এক্সিভিশন এবং ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত হবে।

আয়োজকরা জানান, কোভিড ১৯ এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এই আয়োজন। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অনলাইন ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ব্যপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আগে রেজিস্ট্রেশন করার ভিত্তিতে প্রতিযোগিদের নিবন্ধন চূড়ান্ত হবে।

আন্তর্জাতিক এই ফটো কনটেস্টের সমন্বয়ক সুলতানা রাজিয়া জানান, অনলাইন প্রদর্শনীতে বিক্রি হওয়া ছবি থেকে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ ব্যয় করা হবে করোনা মাহামারিতে ১৯ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে। ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ তরুণদেরকে উৎসাহ প্রদান করবে বলে মনে করেন এশিয়ান নেটওয়ার্ক অফ ইয়ুথ ভলান্টিয়ার্স সোসাইটি’র প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রশীদুল হাসান । তিনি বলেন এতে করে তরুণরা সমাজিক দায়বদ্ধতার জায়গায় নিজেকে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করতে পারবে।

প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ আলোকচিত্রী মুনিরুজ্জামান, ভারতের আলোকচিত্রী রোহিত বহর এবং ইটালির আলোকচিত্রী লুকা লেনসিরি ।

উল্লেখ্য, লার্ন টু লিড উইথ এএনওয়াইভি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ৭ জুন ২০২০ থেকে এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব ইয়ুথ ভলান্টিয়ার্স সোসাইটি করোনা সংকটের ফলে ঘরবন্দি তরুণদের জন্য বিনামূল্যে ১১ টি অপ্রাতিষ্ঠানিক অনলাইন কোর্স শুরু করে। যেখানে বিশ্বের ১৭ টি দেশ থেকে সর্বমোট ৩৫০২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন।