করোনা সংক্রমণ এড়াতে যা করবেন

করোনা সংক্রমণ এড়াতে যা করবেন
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের ভয়ে আতংক পুরো বিশ্ব। শিক্ষার্থীরাও এই আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বিগত দিনগুলোতে বাংলাদেশে সব রেকর্ড ভেঙে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ে চলেছে ক্রমশ। চিকিৎসা দিতে যেয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ।

চিকিৎসকরা বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। নিজেকে নিজে রক্ষা করে চলতে হবে। না হলে আমরা কঠিন সময় মোকাবেলা করতে পারব না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি পরিমিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ আর শারীরচর্চা করতে বলছেন চিকিৎসকরা। এতে করোনা প্রতিরোধে কিছুটা সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. মো. আলাউদ্দিন জেনারেশনকে বলেন, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ আর শারীরচর্চার বিকল্প নেয়। কমদামি খাবারের মাঝে অনেক পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার আছে, যেগুলো আমাদের রোগ প্রতিরোধে অনেক সহায়ক। বিশেষ করে ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার।

সবুজ ফলমূল এবং শাকসবজি, কমলা ও হলুদ রঙের ফল ও শাকসবজি, লাল ফল এবং শাকসবজি, নীল ও বেগুনি রঙের ফল ও শাকসবজি এখাবারগুলো নিয়মিত গ্রহণ করার পারামর্শ দেন ডা. মো. আলাউদ্দিন।

তিনি বলেন, দেখা গেছে আমরা বাজার ঘুরে সবচেয়ে ভালো ফল কিনে নিচ্ছি। টাটকা শাক-সবজি কিনে নিচ্ছি। অথচ সেটা ফ্রিজে রেখে এক সপ্তাহ বা ১৫ দিন পরে খাচ্ছি। এসব অভ্যাস আমাদের রোগ প্রতিরোধ কক্ষমতা কমাচ্ছে। যারা টাটকা খাবার খান, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি। তাই ফ্রেস খাবার খেতে চেস্টা করার পরামর্শ দেন তিনি।

ডা. আলাউদ্দিন বলেন, আমাদের কিছু শারীরিক ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বড়দের জন্য দিনে ৩০ মিনিট এবং ছোটদের জন্য ১ ঘন্টা শারীরিক ব্যায়াম/পরিশ্রম করার সুপারিশ করেছে।

করোনার এই সময়ে অন্যের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে হাঁটতে বা দৌড়াতে পরামর্শ দেন ডা. আলাউদ্দিন । নিমিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম তথা কায়িক পরিশ্রম শরীরের রক্ত সঞ্চালন যেমন বাড়াবে অন্যদিকে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করা জুরুরি বলে মনে করেন এ বিশষজ্ঞ চিকিৎসক।