কারিকুলামে পরিবর্তন আনছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

জেনারেশন রিপোর্ট

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থীর অনার্স শেষ হবে, তাদের এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন যুগোপযোগী ও কর্মমুখী কোর্স করানো হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে দুটি মিটিংও করেছে। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের কারিকুলামে কর্মমুখী কোর্স অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাব্যতা যাচাই করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘কারিকুলামে পরিবর্তন আনা এবং কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আমরা কিছু শর্ট কোর্স এবং ডিপ্লোমা কোর্স অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আইসিটি, ভাষা, ফিশারিজ, অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ইত্যাদি কোর্স। তবে এখনও কোর্সগুলো নির্দিষ্ট করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘কোর্স চালুর আগে আমাদের দরকার দক্ষ ও মানসম্পন্ন শিক্ষক। এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে শিগগিরই একটি রূপরেখা তৈরি করা হবে। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন ও কোর্সগুলো নির্দিষ্ট করার কাজটি শেষ করতে পারব।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিকুলাম তৈরির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান। সদস্যসচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল হোসেন।

এছাড়া কমিটিতে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়), মাউশি ও কারিগরি অধিদপ্তরের ডিজি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কলেজের অধ্যক্ষসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অনুষদের ডিন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল, বুয়েট, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) একজন করে প্রতিনিধি।