কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি আবেদন শুরু

জেনারেশন ডেস্ক

কৃষি গুচ্ছের অধীনে থাকা সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে অনার্সে ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

কৃষি গুচ্ছের অধীনে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে—বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি সংক্রান্ত (https://admission-agri.org/) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২ মে থেকে আগামী ১০ জুনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

২০১৭/২০১৮ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০১৯/২০২০ সালে এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় যারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয়সহ উত্তীর্ণ হয়েছে কেবলমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবে।

আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উভয়ক্ষেত্রে প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে। জিসিই ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পাস করা প্রার্থীর ক্ষেত্রে লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ৫টি বিষয়ে এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় বিজ্ঞানের অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং সর্বমোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে।

মোট আসন সংখ্যার ১০ গুণ প্রার্থীকে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয়গুলোর প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।

আবেদন ফি

নগদ, বিকাশ বা রকেটের মাধ্যমে এক হাজার টাকা জমা দিতে হবে। যে সকল প্রার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে না তাদের আবেদন সংক্রান্ত প্রসেসিং ফি বাবদ ৩০০ টাকা কেটে রেখে অবশিষ্ট ৭০০ টাকা তাদের প্রদত্ত হিসাব নম্বরে ফেরত দেওয়া হবে।

লিখিত ও নির্বাচনী পরীক্ষা

এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩১ জুলাই শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এইচএসসি/সমমান পর্যায়ের ইংরেজিতে ১০, প্রাণীবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থ বিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে।

মেধা স্কোর

মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষার জন্য ২০ এবং এইসএসসি/সমমানের জন্য ২৫ নম্বর যোগ করে ফলাফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত করা হবে।