গান-কবিতায় স্বাধীনতা দিবসের প্রাণবন্ত আয়োজন

গান-কবিতায় স্বাধীনতা দিবসের প্রাণবন্ত আয়োজন
সিআইইউতে মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।

গান-কবিতা আর স্মৃতিচারণ। ছিল নানা আয়োজন। করোনায় বন্দি সবাই। তাই বলে কি আর দেশের টানে চুপচাপ থাকা যায়!

সবার অংশগ্রহণে মহান স্বাধীনতা দিবসের অনলাইন অনুষ্ঠান যেন পরিণত হলো প্রাণবন্ত উৎসবে। পর্দায় ভেসে উঠলো অনেকগুলো মুখ। চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস অনুষ্ঠানের চিত্রটা ছিল এমন-ই।

সিআইইউর জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের অনলাইনে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশ নিতে দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সিআইইউর উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বাংলাদেশের টেকসই অর্থনীতির দিকে অধিক মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র শক্তিশালী হলে অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে। তাই সবার সমন্বিত ভাবে কাজ করার বিকল্প নেই।

জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, নিজের দেশ ছাড়া কোনো মানুষের পূর্ণতা আসে না। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ-এসব অধ্যায় তরুণদের অন্তরে ধারণ করতে হবে।

সিআইইউর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমার প্রাণবন্ত উপস্থাপনে অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা দিবসের চেতনা নিয়ে বক্তব্য দেন বিজনেস স্কুলের ডিন ড. নাঈম আবদুল্লাহ, দুই অধ্যাপক ড. মীর মোহাম্মদ নুরুল আবসার ও অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুর কাদের, স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ড. আসিফ ইকবাল, স্কুল অব ল’র সহকারি ডিন মোহাম্মদ আকতারুল আলম চৌধুরী, স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এর সহকারি অধ্যাপক কাজী মো. সাইফুল আসপিয়া প্রমুখ।

ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক সানজিদা আফরীন আবৃত্তি করেন নির্মলেন্দু গুণের কবিতা ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হল’। কবিতা ও গানের বিভিন্ন পর্বে অংশ নিয়ে যারা হাততালি কুড়ান তারা হলেন:, তাশরিন, সপ্তবর্ণা, অরুপ, ইফতি, পাপড়ি, আয়মান, প্রীতু, রাইয়ান, অমিতাভ প্রমুখ।