গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত আবেদন আগামী মাসে

২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সময়সীমা বাড়ছে
ছবি: সংগৃহীত

জেনারেশন রিপোর্ট

দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুচ্ছভর্তি পরীক্ষা পিছিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রস্তুত করা হয়েছে। দ্রুত তা প্রকাশ করা হবে। আগামী মাসের মাঝামাঝি এ পরীক্ষা আয়োজন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুচ্ছভর্তি পরীক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ভর্তি পরীক্ষার্থীদের প্রাথমিক আবেদনের ফল তৈরি করা হয়েছে। আগামী মাসের (আগস্ট) মাঝামাঝি সময়ে চূড়ান্ত আবেদন কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ প্রক্রিয়া শেষে ভর্তি পরীক্ষা শুরু করা হবে। শিক্ষার্থীদের আবেদন ফি পরিশোধ করতে একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। সেটি হওয়ার পর প্রাথমিক আবেদনকারীদের মধ্যে যোগ্যদের তালিকা (ফল) প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, যারা ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য হবেন তাদের একটি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। সেখানে প্রবেশ করে কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবেদন ফি পরিশোধ করতে বলা হবে। কেন্দ্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুচ্ছভুক্ত ন্যুনতম পাঁচটি নির্বাচন করতে হবে। তার মধ্যে একটিতে আবেদনকারীর কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, তিন লক্ষাধিক আবেদনকারীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে দেড় লাখ আর মানবিক, বাণিজ্য ও ‘এ’ এবং ‘ও’ লেভেলে আবেদনকারী সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। দ্রুত সময়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির সভা করে পরবর্তী কার্যক্রমের প্রস্তুতি শুরু করা হবে।

গুচ্ছভর্তির আওতায় থাকা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় গুলো হলো: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২৩ হাজার ১০৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন।