দাওরায়ে হাদিসে পাসের হার ৭৩ দশমিক ২৫ শতাংশ

জেনারেশন রিপোর্ট

কওমি মাদরাসার ২০২১ সালের দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রোববার (১৮ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ।

পরীক্ষায় পাসের হার ৭৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। পাসের দিক থেকে ছাত্রীদের চেয়ে ছাত্ররা এগিয়ে। ছাত্রদের পাসের হার ৭৯ দশমিক ৪২ শতাংশ আর ছাত্রীদের পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২৯ হাজার ৯৮৮ জন; এদের মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ৫৪৬ জন; ছাত্রী ১১ হাজার ৪৪২ জন। সারাদেশে ৮৮টি ছাত্র ও ১৩৪টি ছাত্রী মারকাযে (কেন্দ্রে) এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বিভিন্ন বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০ হাজার ৪ জন, অনুত্তীর্ণ ৭ হাজার ২৬৮ জন। ২৬ জনের ফল স্থগিত। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৬৮২ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ১৩ হাজার ২১৯ জন এবং ছাত্রী ৬ হাজার ৭৮৫ জন।

মুমতায (স্টার) বিভাগে উত্তীর্ণ- ছাত্র ১ হাজার ৪৭ জন এবং ছাত্রী ৭৪ জন। জায়্যিদ জিদ্দান (১ম) বিভাগে উত্তীর্ণ- ছাত্র ৩ হাজার ৯০০ জন, ছাত্রী ১১০৪ জন। জায়্যিদ (২য়) বিভাগে উত্তীর্ণ- ছাত্র ৫ হাজার ৭৫৬ জন, ছাত্রী ৩ হাজার ২৯১ জন এবং মাকবূল (৩য়) বিভাগে উত্তীর্ণ- ছাত্র ২ হাজার ৫১৬ জন, ছাত্রী ২ হাজার ৩১৬ জন। পরীক্ষা বাতিল (যবত) করা হয় ৮ জনের।

পরীক্ষা প্রবিধি অনুসারে ছাত্র ও ছাত্রীদের মেধাক্রম পৃথক করা হয়েছে। ৩৭ জন ছাত্র ও ২৩ জন ছাত্রীকে মেধা তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। ৯৩৫ নম্বর পেয়ে ছাত্রদের মেধা তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানীনগর মাদরাসার মো. মাকতুম আহমেদ। ৯৩১ নম্বর পেয়ে মেধাতালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জামিয়া রাব্বানিয়া আরাবিয়া জালকুড়ি মাদরাসার রেজাউল করিম নাঈম। ৯২৯ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলুরোড, মগবাজার, ঢাকা মাদরাসার মো. গালিব আনোয়ার সিদ্দীকী।

৯০৩ নম্বর পেয়ে ছাত্রীদের মেধা তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ময়মনসিংহ জেলার মিফতাহুল জান্নাত গলগন্ডা মহিলা মাদরাসার মাসুমা। ৮৯৩ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম গোলাপবাগ যাত্রাবাড়ী মহিলা মাদরাসার নাজিয়া সুলতানা। ৮৯১ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন চট্টগ্রাম জেলার আয়েশা (রা.) লালখান বাজার মহিলা মাদরাসার মাইমুনা বিনতে রহীম উদ্দীন।