প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি রাজস্ব খাতে

প্রাথমিকের শিক্ষার্থী
প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। ফাইল ছবি

জেনারেশন রিপোর্ট

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা দেওয়া হবে সরকারের রাজস্ব খাত থেকে। যদিও আগে প্রকল্পের মাধ্যমে এটি পরিচালনা করা হতো।

জানা গেছে, ৩০ জুন চলমান প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে। এরপর থেকে এটি রাজস্ব খাতে চলে যাবে। সরকার সরাসরি এটি পরিচালনা করবে।

বর্তমান প্রকল্প পরিচালক ইউসুফ আলী জানান, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা বিতরণ কয়েক দফা বাড়িয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। এখন সেটি সরাসরি রাজস্ব খাত থেকে দেওয়া হবে। এর জন্য প্রাথমিকে একজন পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। যিনি মূলত এ উপবৃত্তির বিষয়গুলোই দেখভাল করবেন।

এর আগে ১৯৯৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে ২০০৮ সালে ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)’ গ্রহণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দ্বিতীয় পর্যায়ের মেয়াদ ২০১৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ পর্যায় প্রথমে এক কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এর সঙ্গে আরও ১০ লাখ শিক্ষার্থী যুক্ত করা হয়। প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলে আরও দুই বছর সময় বাড়ানো হয়েছিল। সবশেষ সংশোধনীতে আরও দেড় বছর বাড়ানো হলো এর মেয়াদ। যেটি আগামী ৩০ জুন শেষ হতে যাচ্ছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয় নগদ একাউন্টের মাধ্যমে। এক্ষেত্রে আগে এক শিক্ষার্থীর পরিবারকে মাসে ১০০ টাকা দেওয়া হলেও এখন ১৫০ টাকা করে দেওয়া হয়। একইভাবে দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২০০ টাকার বদলে ৩০০ টাকা, তিন শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২৫০ টাকার জায়গায় ৪০০ টাকা এবং চার শিক্ষার্থীর পরিবারকে মাসে তিনশ টাকার জায়গায় উপবৃত্তি দেওয়া হয় ৫০০ টাকা করে।