বাংলাদেশে ফার্মেসি শিক্ষা, পেশার মানোন্নয়ন ও সেবা সহজীকরণে ডিজিটালাইজেশন

মুহাম্মদ মাহবুবুল হক
মুহাম্মদ মাহবুবুল হক, সচিব, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল

মুহাম্মদ মাহবুবুল হক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে সবার জন্য সঠিক স্বাস্থ্যসেবা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে ডাক্তার, নার্সের পাশাপাশি ফার্মাসিস্টের ভূমিকাও অপরিহার্য। বর্তমান বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থান থেকে বাস্তব চিত্র এটাই যে, অধিকাংশ রোগীর কাছে ফার্মাসিস্ট বা ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট বা ফার্মেসি টেকনিশিয়ানই তার প্রথম স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শক এবং আরোগ্যসহায়ক। ফার্মাসিস্টগণ বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প বিকাশে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে ফার্মাসিস্টগণ নিজেদের পেশাগত দক্ষতা দিয়ে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও মডেল ফার্মেসিতে কাজ করছে। ১৯৭৬ সালে ফার্মেসি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতাধীন ফার্মেসি শিক্ষা ও ফার্মেসি পেশার একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ফার্মাসিস্ট বা ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট বা ফার্মেসি টেকনিশিয়ানদের পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে আসছে।

বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল ইতিমধ্যে ১৩টি সরকারি ও ২৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে ফার্মেসি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অ্যাক্রিডিটেশন প্রদান করেছে। ফার্মেসিবিষয়ক স্নাতক পাশকৃত শিক্ষার্থীদের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে প্রায় ১৬ হাজার ৭৭৮ জনকে ফার্মাসিস্ট হিসেবে নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে। একইভাবে ডিপ্লোমা-ইন-ফার্মেসি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১০টি সরকারি ও ২৮টি বেসরকারি হেল্থ ইনস্টিটিউটকে অ্যাক্রিডিটেশন প্রদান এবং এসব হেলথ ইনস্টিটিউট থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের ‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রায় ৪ হাজার ৯৯০ জনকে ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট হিসেবে নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ৫৮টি জেলায় ফার্মেসি সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন কোর্স পরিচালিত হয়। উক্ত কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ফার্মেসি কাউন্সিল তাদের ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ফার্মেসি টেকনিশিয়ান হিসেবে নিবন্ধন প্রদান করে এবং এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার ১৫০ জনকে নিবন্ধন প্রদান করা হয়েছে, যারা ফার্মেসি (ওসুধের দোকান) পরিচালনার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার পর থেকে ফার্মাসিস্ট, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসি টেকনিশিয়ানদের নিবন্ধন, নিবন্ধন সনদ উত্তোলন ও নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ কার্যসমূহ ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পরিচালনা করা হতো, যা ছিল জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। কাউন্সিলের প্রতিনিয়ত চেষ্টা ছিল সুদক্ষ পরিচালনায় ফার্মেসি শিক্ষা ও শিক্ষাবিষয়ক সেবাসমূহের মানোন্নয়ন ও সহজীকরণ করা। কালের পরিক্রমা ও সময়ের চাহিদায় প্রতি বছর ফার্মেসি কাউন্সিলে সেবাগ্রহীতার সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই কাজ আরও উন্নত ও সহজতর করার জন্য অটোমেশন সিস্টেম তৈরি অত্যন্ত জরুরি বলে আমরা অনুভব করি। আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ফার্মাসিস্ট নিবন্ধন, নিবন্ধন সনদ উত্তোলন ও নবায়নের কাজটি অটোমেশনের প্রয়োজনীয়তা আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে উত্থাপন করি। ফলস্বরূপ ব্রিটিশ সরকারের ফরেইন কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের (FCDO, পূর্ববর্তী DFID) অর্থায়নে বেটার হেলথ ইন বাংলাদেশ (বিএইচবি) প্রকল্প আমাদের গুরুত্বপূর্ণ এই কাজ বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নিবন্ধন, নিবন্ধন সনদ উত্তোলন ও নবায়ন করতে আবেদনকারীগণ কাউন্সিল থেকে ফরম সংগ্রহ করে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতেন। আবেদনের ফি ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের অনুকূলে পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা এবং পে-অর্ডারসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র কাউন্সিলে দাখিলপূর্বক আবেদনকারীগণকে নিবন্ধন রসিদ গ্রহণের জন্য সাত থেকে দশ কর্মদিবস অপেক্ষার পর সশরীরে কাউন্সিলে উপস্থিত হয়ে নিবন্ধন নম্বর সংবলিত রসিদ সংগ্রহ করতেন। আবেদনকারীগণ নিবন্ধন সনদ উত্তোলনের জন্য পূর্বের প্রাপ্ত মূল নিবন্ধন নম্বর সংবলিত রসিদের সঙ্গে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি বেলা ১১টা হতে দুপুর দড়েটার মধ্যে কাউন্সিলে দাখিলপূর্বক দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সনদ উত্তোলন করতে পারতেন। এই প্রক্রিয়া আবেদনকারীর জন্য যথেষ্ট জটিল ও সময়সাপেক্ষ ছিল।

অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া: গত ১ অক্টোবর ২০২০ তারিখ থেকে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের এ/ বি/ সি ক্যাটাগরির নিবন্ধন আবেদন, সনদ উত্তোলন ও নিবন্ধন সনদ নবায়নের অনলাইন আবেদন শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারী বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ওয়েবসাইটের (www.pcb.gov.bd) মাধ্যমে সহজে ঘরে বসেই যেকোনো সময় স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটারের সাহায্যে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারী বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট তথ্যসমূহ পূরণপূর্বক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়িতসহ পিডিএফ আকারে আপলোড করে একটি প্রোফাইল তৈরি করেতে পারবেন। ব্যাংকে গিয়ে লম্বা সময় অপেক্ষা করে পে-অর্ডার করার পরিবর্তে সরাসরি অনলাইনে ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা করতে পারবেন। নির্দিষ্ট আবেদন ফি জমা হওয়ার পর আবেদনকারীর কাছে তার মোবাইল নম্বর ও ইমেইলে আবেদনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এরূপ একটি এসএমএস পাবেন। কাউন্সিল কর্তৃক আবেদনটি যাচাই-বাছাই করা হবে এবং আবেদনটি সঠিক থাকলে আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ কাউন্সিলে যোগাযোগের জন্য পুনরায় একটি এসএমএস পাঠানো হবে। উক্ত এসএমএস পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে আবেদনকারীকে সশরীরে সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের মূল কপি, আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবিসহ বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টার মধ্যে উপস্থিত হতে হবে। মূল কাগজপত্র উপস্থাপন সাপেক্ষে কাউন্সিল কর্তৃক ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়, ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে আবেদনকারী ইমেইলের মাধ্যমে নিবন্ধন নম্বর সংবলিত একটি রসিদ গ্রহণ করবেন।

নিবন্ধন মূল সনদ উত্তোলনের জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজ নিজ প্রোফাইলে লগইন করে নিবন্ধন রসিদের মূল কপি স্ক্যান করে পিডিএফ আকারে আপলোড করতে হবে। আবেদনকারীকে সনদ উত্তোলনের জন্য একটি এসএমএস পাঠানো হবে। উক্ত এসএমএস পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে কাউন্সিল থেকে সনদ উত্তোলন করতে হবে।

একইভাবে নিবন্ধন মূল সনদ নবায়নের জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজ নিজ প্রোফাইলে লগইন করে কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত নবায়ন ফি অনলাইনে জমা করে নবায়নের আবেদনটি সম্পন্ন করতে পারবেন। উক্ত আবেদন যাচাইবাছাই করে সঠিক থাকলে আবেদনকারীর মূল নিবন্ধন সনদ কাউন্সিলে জমা দেওয়ার জন্য একটি এসএমএস পাঠানো হবে। কাউন্সিল কর্তৃক নবায়ন কার্যক্রম সম্পাদনের পর আবেদনকারীকে সনদ উত্তোলনের জন্য তিন কর্মদিবসের মধ্যে একটি এসএমএস পাঠানো হবে। উক্ত এসএমএস পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে কাউন্সিল থেকে সনদ গ্রহণ করতে হবে।

অটোমেশনের সুবিধাসমূহ : অটোমেশনের ফলে দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে আবেদনকারীগণ তার নিজস্ব স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে সহজেই ঘরে বসে আবেদন সম্পন্ন করতে পারেন।

আবেদনকারীকে এখন আর ব্যাংকে পে-অর্ডারের জন্য দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হয় না, আবেদনকারী সরাসরি অনলাইনে ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে পারেন।

অটোমেশনের ফলে এ/ বি/ সি ক্যাটাগরির নিবন্ধন সনদ আবেদনকারী সহজেই বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে আইডি ও পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজস্ব প্রোফাইল থেকে রেজিস্ট্রেশন রসিদ ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এ/ বি/ সি ক্যাটাগরিতে মূল নিবন্ধন সনদ আবেদনকারীকে পূর্বে আবেদনের সঙ্গে নিবন্ধন রসিদসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সশরীরে এসে জমা দিতে হতো। বর্তমানে অটোমেশনের ফলে আবেদনকারী আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পিডিএফ আকারে আপলোড করে জমা দিতে পারেন।

আবেদনকারীকে নিবন্ধন রসিদ বা যে কোনো আবেদনের ক্ষেত্রে সরাসরি কাউন্সিলে এসে তার আবেদন জমা দিতে হয় না বিধায় দেশের বাইরে অবস্থানকারী আবেদনকারীদের জন্য এ আবেদনের প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে।

অটোমেশনের ফলে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের ওয়েবসাইটের লাইভ সাপোর্ট থেকে আবেদনকারী তার যে কোনো সমস্যা সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারেন। এজন্য কাউন্সিলে আসার প্রয়োজন হয় না।

পিসিবি অটোমেশন সিস্টেমটি ব্যবহারের মাধ্যমে ফার্মাসিস্ট, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসি টেকনিশিয়ানগণ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুসরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামগ্রিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে পারবেন।

সময়ের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলে সেবা প্রদান প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুততর করা হয়েছে। উক্ত কার্যক্রমের সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সুযোগ্য সহসভাপতি জনাব এম মোসাদ্দেক হোসেনের দিকনির্দেশনা। এছাড়া অটোমেশনের সার্বিক কার্যক্রমে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করেছেন লিনজা আক্তার, সহকারী সচিব; মো. আসিফ হাসান, প্রভাষক ও পরিদর্শক এবং মো. রাশেদুল ইসলাম, প্রভাষক ও পরিদর্শক।

ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে, ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ ও বেটার হেলথ ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের কারিগরি সহযোগিতা যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছে। ম্যানেজমেন্ট সাইন্সেস ফর হেলথের বেটার হেলথ ইন বাংলাদেশ প্রকল্প থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন মো. ইফতাখার হাসান খান, প্রধান কারিগরি উপদেষ্টা এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছেন মো. মোমিনুর রহমান, কারিগরি উপদেষ্টা এবং মো. সৈয়দ রাজীব রহমান, কারিগরি উপদেষ্টা এবং মো. নুরুজ্জামান, কারিগরি উপদেষ্টা (বিএইচবি)।

ডিজিটাল বাংলাদেশ যুগে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের অটোমেশন সিস্টেমে নিবন্ধন সনদ নবায়নের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। নিঃসন্দেহে ফার্মাসিস্ট, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট ও ফার্মেসি টেকনিশিয়ানদের জন্য অটোমেশন সিস্টেমটি অত্যন্ত উপকারী ও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। অটোমেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে সময়োপযোগী ও মানসম্পন্ন সেবা দিতে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল বদ্ধপরিকর।

লেখক : সচিব, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক