ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিদেশি শিক্ষার্থীদের

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিদেশি শিক্ষার্থীদের
কনভোকেশনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম। মানসম্মত ও উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা, দেশী- বিদেশী দক্ষ শিক্ষক এবং গবেষণার উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় দেশের অন্যতম সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আগ্রহ বাড়ছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের। চলমান সেমিস্টারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১২০ জন নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অফ কমিউনিকেশনস এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।

করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থায় স্থবিরতা দেখা দিলেও অনলাইনের মাধ্যমে সামার ও ফল সেমিস্টারের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক বাজারে বিশ্ববিদ্যালয়টির সুনাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুটি সেমিস্টারে আন্ডার গ্রাজুয়েট ও পোস্ট গ্রাজুয়েটের বিভিন্ন প্রোগ্রামে গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগ্রহ বাড়ছে বিদেশি শিক্ষার্থীদের
কনভোকেশনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

কোভিড-১৯ চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট অ্যাসিসটেন্স ফান্ড’ গঠন, হার্ভার্ড-এমআইটি’র আদলে বিশ্বমানের নিজস্ব অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্মসহ (বিইউএক্স) একাধিক শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। সংকটকালীন এসব কর্মসূচী নজর কেড়েছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের। যার ফলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তি বেড়েছে।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে উঠতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় নানামুখী উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিশ্ববিদালয়টির উপাচার্য প্রফেসর ভিনসেন্ট চ্যাং আশা প্রকাশ করেন, উন্নতির এই অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে পারলে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে জায়গা করে নেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। তিনি বলেন, ‘ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি যাতে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার মানচিত্রে জায়গা করে নিতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আমি আশা করছি, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সেটা সম্ভব হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের কল্যাণ সাধনকেই আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে সবোর্চ্চ সেবা ও সেরা অভিজ্ঞতা পায় এবং কেউ যেন পিছিয়ে না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে স্টুডেন্ট অ্যাসিসটেন্স ফান্ড ও বিউএক্স এর ক্রমাগত উন্নয়ন সাধন করে চলেছি আমরা।’