মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলে অসংগতির অভিযোগ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলে অসংগতির অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

এমবিবিএস (২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে অসংগতির অভিযোগ তুলেছেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ। সম্প্রতি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পুনরায় ফল পুর্নমূল্যায়নসহ চার দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন তারা। ১হাজার ৩২৩ জন পরীক্ষার্থী অসংগতির অভিযোগ জানান ।

তাদের অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে যে নম্বর প্রত্যাশা করেছিলেন, প্রকাশিত ফলাফলের সঙ্গে সেটির ব্যবধান অনেক। তাই স্মারকলিপিতে অভিযোগকারীরা প্রকাশিত ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ফলাফল ও মেধাক্রম প্রকাশ করার দাবি জানান।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এক দিন পরে ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং এই ফলাফলে অসংগতি দখো দেয়। যেখানে একজন পরীক্ষার্থীর ৭০-৭৫ নম্বর পাওয়ার কথা ছিল সেখানে ফল আসে ৬০-৬৫ নম্বর। এমনকি কোথাও আরও কম। অর্থাৎ প্রায় ১০-১৫ নম্বরের অসংগতি। এটা শুধু হাতে গোনা কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গেই ঘটেনি। প্রায় সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী এই অসংগতির শিকার। আর এর মধ্যে সিংহভাগই বিগত শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থী।

এতে আরও বলা হয়, নিয়ম অনুযায়ী কোথাও কোনও মেডিকেলে ভর্তি থাকা অবস্থায় কেউ যদি দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার ৭.৫ নম্বর কর্তন হবার কথা। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই তা ঘটেনি। শুধু ৫ নম্বর কর্তন হয়েছে এবং ২ দশমিক ৫ নম্বর বেশি দিয়ে মেধাক্রম এসেছে। এই অসংগতির কারণে যোগ্যরা বঞ্চিত হয়েছে।

এছাড়াও যে সমাধান দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে, তার সাথে অভিযোগকারীদের মধ্য থেকে ১০০ জনের উত্তরপত্র একজন নিরপেক্ষ প্রতিনিধির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে স্বহস্তে যাচাই, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সমাধানের ব্যাখ্যাসহ পূর্ণাঙ্গরূপে প্রশ্নপত্রের উত্তর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশেরও দাবি জানান তারা।

গত ২ এপ্রিল একযোগে সারাদেশে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবং ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।