‘রোহিঙ্গা রেসপন্স অ্যান্ড কোভিড১৯’ বিষয়ে সিআরআই আয়োজিত লেটস টক

‘রোহিঙ্গা রেসপন্স অ্যান্ড কোভিড১৯’ বিষয়ে সিআরআই আয়োজিত লেটস টক
রবিবার বিকেল ৪ টায় অনুষ্ঠিতব্য ‘রোহিঙ্গা রেসপন্স অ্যান্ড কোভিড১৯’ বিষয়ে সিআরআই আয়োজিত লেটস টক অনুষ্ঠানের পোস্টার

তরুণদের সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর নিয়মিত আয়োজন ‘লেটস টক’ রবিবার বিকাল ৪টায় প্রচার হবে। এবারের আলোচনার বিষয় ‘রোহিঙ্গা রেসপন্স অ্যান্ড কোভিড১৯’। অনুষ্ঠানটি লাইভ দেখা যাবে সিআরআই ও ইয়াং বাংলার ফেসবুক পেজে।

দেশে এই কোভিড পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন, নিরাপত্তা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের প্রতিনিধি স্টিভেন করলিস, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মাহবুব আলম তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক সুমাইয়া তাসনিম এবং রিলিফ ইন্টারন্যাশনালের স্বেচ্ছাসেবক প্রোগ্রাম থেকে জানি আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন সৌভিক দাস তমাল।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ‘রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ’ নিয়ে আয়োজিত হয় ‘লেটস টক’। সেখানে প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের প্রতিনিধি স্টিভেন করলিস। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।’ অন্যদিকে স্টিভেন করলিস মিয়ানমার সরকারের কাছে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘এসব দাবির মধ্যে রয়েছে তাদের ফেরার আগে নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার দাবি।’

তরুণরা যাতে দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে এবং নিজেদের ভাবনা ও সমস্যাগুলোর কথা নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন সেজন্য সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) নিয়মিত আয়োজন করে আসছে ‘লেটস টক’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বেশ কয়েকবার এই অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আয়োজিত ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তরুণদের সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে তরুণরাও সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর সুযোগ পান দেশ নিয়ে তাদের চিন্তা-চেতনার কথা। বাংলাদেশের ইতিহাসে তরুণদের সঙ্গে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা এটাই প্রথম।