বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হবে ‘নলেজ হাব’: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রযুক্তিকে পাথেয় করে নতুন নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিক্ষাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমি আশা করছি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিগগিরই ‘নলেজ হাব’-এ পরিণত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ দেশের জনশক্তি জনসম্পদে পরিণত হবে, তবেই আমাদের দেশ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে আজ শিক্ষা, কৃষিসহ সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কৃষিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ এক অনন্য উচ্চতায় আসীন। এ অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য।

শনিবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষক সমিতি আয়োজিত ‘কোভিড-১৯ সহনশীলতা : বাংলাদেশের কৃষির ভূমিকা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. ফরিদা ইয়াসমিন বারি’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. এনামুল হকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. শামসুল আলম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। এছাড়া প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

দীপু মনি বলেন, কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার, নানামুখী কৌশলে রোগবালাই দমন, কৃত্রিম উপায়ে শাক-সবজি ও মাছচাষ, ছাদ কৃষি প্রভৃতির মাধ্যমে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এই খাতে, যার সিংহভাগ অবদান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের। কেননা, কৃষিক্ষেত্রে যত ধরনের উদ্ভাবন ও নতুন জাত তৈরি করেছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা, তাদের অধিকাংশই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। এজন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে কৃষিবিদ তৈরির আঁতুড়ঘর বলা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, কৃষিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহারের বিকল্প নেই। ২০২০ সালে তথ্য প্রযুক্তি খাত থেকে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। আগামী বছর সেটিকে ৩ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা গবেষণা ও উন্নয়ন খাতেও ফান্ডিং দিচ্ছি।

এ সময় তিনি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষিবিদদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

ওয়েবিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।